>Autumn

Posted: December 14, 2010 in Uncategorized

>

ওম নদী
মু হ ম্ম দ নূ রু ল হু দা

এ আশ্বিনে নদীও অশতিপর দাদু।

নদীও ওম নদী।
হাতে লাঠি। চলছেন খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।
তার বালি-বুকে ডিম পাড়ছে কাদাখোচা, জালিহাঁস।
মানুষেরা ঘরে ফিরছে পাখনা উড়িয়ে।
ওমদাদুর মুখে কাশদাড়ি,
মৈনপাহাড়ের উপত্যকায় তার বাবাবাড়ি;
দাদু দরিয়ার বুকে উড়ে যেতে চায়
সাততাড়াতাড়ি।
পথে যেখানেই মুখ থুবড়ে পড়ে,
সেখানেই, আহা, ঘর গড়ে;
ভোরে সূর্যটা জ্বালিয়ে আবার যাত্রা শুরু করে।
দুপুরে ও বিকেলে
শান্তিপতাকার মতো মেঘ ওড়ে।
দিগন্ত ডাকে ‘আয়, আয়’।
মানুষ, মৎস্য, পাখি, ছায়া আর কায়া
ডুবে ডুবে দরিয়ার পুবে ও পশ্চিমে
ওমদাদুর বুকে গুম হয়ে যায়।
অমাবস্যায় পূর্ণিমায়

নীলিমার নিশি-আঙিনায়
ছায়ারা ঘুমায়।

জ্যোৎস্নার দংশন
জু য়ে ল মো স্তা ফি জ

এমন এক কালে জগতের ওপর নামে জ্যোৎস্নার দংশন
দুর্গার গন্ধে মেতে ওঠে সাপের সংসার। ভানু কাকা.
এই কালটা কে চেনো তুমি? মুচি পাড়ায় শরতের গন্ধ যায়?
পৃথিবী কি জানে কাশফুল মহাকালের মরমী উদ্ভিদ! আর তুমি
এভাবেই জান না শরতের রক্ত লাল না শাদা।
জীবন কাটাকাটিতে মাথা আর পা একাকারঃ
শুনেছি ভাদ্রমাসের যুবতী যার ভেতর ঘুরছে চাঁদের বালক বেলা।
চাঁদের সাথে নাকি মুচি পাড়ার দারুণ বিরোধ;
জ্যোৎস্নাগুলো জগতের গায়ে নেমে আসা তরল জ্বরঃ
তবুও আমাদের ভানু কাকা; জন্মের হাওয়া যাকে দিয়েছিল ফাঁকি,
তার কি আর মরণ আছে? তার আঙুলগুলো কেটেছিল শরতের জ্যোৎস্নাঃ

শরতের আগমনী ও স্নেহবৎ পাখি হবার আকাঙ্ক্ষা
না জ মী ন ম র্তু জা

শরতের শুক্লপক্ষে নিদ্রা ভাঙে। সি্নগ্ধরূপে ফুটে আছো শিউলির ডালে। দূরে
বনান্তরে বেজে ওঠে_হূদয়মথিত বাউলের একতারা। পুবের আকাশে ভেসে ওঠে সিঁদুরের টিপ_ফসলের ক্ষেতে বয়ে যায় নৃত্যরত বাতাস_ওপরমুখী সব পালঙ্গের শিষ আর পতপত উড়ছে বেশ তোমারই অাঁচলখানি বিজয়ের পতাকা হয়ে।
তুমি নেমে এলে আদি-প্রকৃতি_অরণ্যানী মাতা। সবুজ ঘাসের মতো সতেজ শরীর মিশে গেল তোমার রথ সৌর-সংসারে_দ্রুত ধ্বনি তুলছে লোক_মহালয়ার সুরে যারা জলাঞ্জলি দিয়েছিল বিগত দেহমূর্তি তোমার_তীব্র শোকে তারাই আজ তোমারই সোনা অঙ্গে খুঁজছে মহামায়া।
যে দেহ প্রতিভা দেখালে অগোচরে_আর নবরূপে ফুটে উঠলে স্মৃতির বৃক্ষডালে_ মাগো ঘূর্ণনে বর্ণনে বিবর্ণ ঋতুচক্রে তোমারই প্রসঙ্গরূপ বোঝেনি লুপ্ত মেয়ে। তাই তো বিরহঘটনা জেগেছে অন্তরালে_তোমারই মর্মখানি কোন দেহে রাখি। তবু মা বুকে ধরে রেখো_হতে চাই আমি স্নেহবৎ পাখি।

গাণিতিক দৃষ্টি
-শা হে দ কা য়ে স

ফসলে ফসলে ভরা সমস্ত প্রদেশ
সংযোগে ডেকেছে বান, অনন্তে সাঁতার কেটে
ভাটি অঞ্চলে অস্থির বর্ষার পস্নাবন
রেখে যাই হাওড়ের হূদয়ে পলির স্মৃতিঃ

বিপ্রতীপে কী এমন এসে যায়, তবুও তো মুক্তি
দুচোখ যে দিকে ইচ্ছে পরিযায়ী পাখি
তুমুল ভাঙচুরের মধ্য দিয়ে পশ্চিমি হাওয়া;
নম্র হলে গোধূলির লজ্জা কোনো এক শরৎ সন্ধ্যায়
না হয় ফিরিয়ে নেব গাণিতিক দৃষ্টিঃ

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s